সাপ্তাহিক চাকরির খবর সবার আগে

তোমার রং আমি আমার জীবন রাঙাতে আমাকে রাঙিয়ে দিবে

ছোট ভাইডারে নিয়ে অনেক ঝামেলায় পড়েছি।আমার আইডিতে ওকে এড না দিলে নাকি আম্মুরে বলে আমাকে বকা খাওয়াবে। কি আর করা অনিচ্ছা সত্বেও এড করলাম। রিকু একসেপ্ট করার সাথে সাথেই হনুমানটা মেসেজ দিল ধন্যবাদ আপুনি।

রাগে কটমট করতে করতে আমিও মেসেজ দিলাম ওয়েলকাম। কি আর করা। হারামিটার জন্য আমি রাত জেগে চ্যাট করতেও পারিনা। এদিকে বফরে সময় না দিতে পারায় ঝগড়া বাধিয়ে বসে আছে। এত বলি ভাইটা এড আছে কে শোনে কার কথা।

সেদিন রাত ১১ টাই হারামিটা মেসেজ দিয়ে বলল এই এত রাতে তোর অনলাইনে কি রে আপি আম্মুকে বলব। রাগে মেজাজটা পুরায় খারাপ হয়ে গেল। আমিও বললাম তোর এত রাতে কি শুনি অনলাইনে?

ওমা হারামিটা বলল তোরে পাহারা দিই। কই যাব আল্লারে।এদিকে বেচারা বফ রোহানের সাথে বিরাট আকারের ঝগড়া হয়ে গেসে কাল।আমি রাগ করে ওকে মেসেনজার থেকে ব্লক দিছি।

রাতে খাওয়ার পর এফবি তে গিয়ে দেখি ছাগলটা আমার পোস্টে লিখেছে  সরি বাবু ভুল হয়ে গেসে প্লিজ ব্লকটা ছাড়াও কান ধরছি আর এমন হবে না। আমিও খুশি মনে বললাম আচ্ছা বাবু নেক্সট টাইম যেন এমন হয় না।

এই দিকে একটু পরই দেখি বাসায় পুরা ভুমিকম্প শুরু হয়ে গেছে। আমার হারামি ভাইটা স্কিনসর্ট নিয়ে আম্মুকে নাকি দেখাবে। আমি খুশির ঠেলায় কমেন্ট ডিলিট করতে ভুলে গেছিলাএখন কি হবে।ভাইটারে কইলাম দেখ তুই আমার নিজের ভাই হয়ে এমন শএুতা করিস না।

বল কি চাই দিব তোকে। হারামিটা ৫০০ টাকা নিল।এতেও ওর নাকি হয়নি প্রতিদিন আমার থেকে টাকা নিতেই আছে। আমিও সুযোগ খুজছি ওরে কি করে শাস্তি দেওয়া যায়।

যাই হোক নিজের আত্নিয় স্বজনকে লিস্টে না রাখায় ভাল।আজ পঁাচ দিন যাবত আমি হারামি ভাইটাকে টাকা দিয়েই যাচ্ছি তবুও শোধ হচ্ছে না। কি আর করা আমি ফাইস্যা গেছি মানকার চিপায়।

সেই থেকে শুরু হলো ভালোবাসার এক মহাযাত্রা। এই ভালোবাসার মাঝে অনেক বাধা আছে বিপ আছে কিন্তু দিন শেষে আছে দুটো হাসিমাখা মুখের অস্তিত্ব যারা একে অপরের রঙে নিজেদের ভালোবারংধনু তে পরিপূর্ণতার ছোয়া দিয়েছে।ভালোবাসার কোনো শেষ নেই সব ফুরিয়ে গেলেও যুগ যুগ বেঁচে রবে ভালোবাসা।

নীরব আমার সামনে এলো এখনও আমি একটা ঘোরের মধ্য আছি আমার সামনে এসে হাত নাড়ালো মুখের সামনে আমি কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরে এলাম কফিসপে নীরব আর আমি মুখোমুখি বসে আছি।প্রায় অনেক্ষণ সময় পার হয়ে গেছে।দুজনের কেউ ই কোনো কথা বলতে পারছি না।

আমি বলতে পারছি না কিছুটা লজ্জায় কিছুটা নার্ভাসনেসের জন্য আর নীরবের ও কিছুটা এমন ই হচ্ছে ওর মুখ দেখে সেটা বুঝা যাচ্ছে নীরবতার চাদর ভেঙে আমি ই কথা বলা শুরু করলাম কিন্তু কি আজব যা মুখে বলতে চাইছি সেটা কোনোভাবেই বলতে পারছি না।

আমি অনেক বাকপটু একটা মেয়ে কিন্ত আজ কথাই বলতে পারছি না।আর ওদিকে নীরব ভাবছে আজ তুলি কে অনেক সুন্দর লাগছে।ওর চোখদুটো অনেক সুন্দর।আচ্ছা মনের কথাটা সামনাসামনি বলতে এমন লাগছে কেনো???

দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছি।তারপর আমাকে অবাক করে দিয়ে হঠাৎ নীরব বললোতুলি আমি জানিনা তুমি আমাদের ব্যাপারটা কিভাবে দেখছো।আমার পরিবার এবং আমার বর্তমান অবস্থা সবই তোমার জানা।

আমি সব সময় আমার মনের কথা শুনেছি।আর আমার মন সব জায়গায় শুধু তোমাকে নিয়েই ভেবেছে।আচ্ছা আমার চিঠির শেষে একটা প্রশ্ন ছিল তোমার জন্য।আজ তার উত্তর টা কি আজ পাবো?

এই মুহুর্তে মনে কি চলছে বুঝছি না।মুখে কিছুই বলতে পারছি না।আনন্দ হচ্ছে খুব।এটা অন্যরকম আনন্দ যা বলে বোঝানো যায় না।আমি ওর দিকে তাকিয়ে আছি যুগ যুগ তাকিয়ে থাকলেও এই চোখে ক্লান্তি আসবে না।

আমি তখন নিজের অজান্তেই ওর হাতটা ধরলাম আর বললাম তোমাকে আমি আমার চোখের মণি করে রাখবো সারাজীবন।আমাকে কখনও দুরে যেতে দিবো না তোমাকে।জানো এই কয়দিন আমার কতোটা কষ্ট হয়েছে তোমার থেকে দূরে থাকতে।

কিন্তু ঐদিন তুমি কেনো আমাকে বললা আমি তোমাকে আরও এমন ৭জন মেয়ে এর আগে পছন্দ করছে হুম।আমি কতো ভয় পাইছিলাম জানো।তোমার প্রত্যেকটা আইডি চেক করছি সব স্ট্যাটাস কমেন্টস চেক করছি।

তুমি খুব পঁচা এই কয়দিন আমাকে অনেক কাদাইছো আরে ধূর পাগলী ওগুলা তো এমনি ই বলেছিলাম।আমি তো চেয়েছিলাম তুমি আমাদের দুজনের সম্পর্কটা বন্ধুক্ত থেকে অনেক বেশি সেটা উপলব্ধি করো।
তোমাকে প্রথমবার দেখার পর ই আমার মনে হয়েছিলো তুমি আমার জন্য অনেক স্পেশাল।

আচ্ছা আমি তোমাকে আমার চোখের মণি করেই রাখবো কিন্তু একটা শর্ত আছে।কি শর্ত পাগলীআমাকে আর কখনও তোমার থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ো না প্লিজ।জীবনে যেই পরিস্থিতি ই আসুক আমার পাশে থেকো সবসময়। আর কখনও কিছু চাইবো.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *